শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো
শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো,শুষ্ক ত্বক আসলে কেউ চাই না কিন্তু শীত আসলে কে এই শুষ্কতা থেকে বাঁচে না। এই শুষ্ক ত্বক নিয়ে অনেকে বড় চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়।কিন্তু কিছু করার নাই। আমরা এখানে আপনার এই চিন্তা দূর করতে এই আর্টিকেলটিি লেখেছি আপনি এই পোষ্টটি পড়লে ভালো বুঝতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্রঃশুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো
শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো
শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো,ত্বকশুষ্ক হয়ে গেলে স্কিন খসখসে হয়ে যায়।চামড়া সাদা হয়ে যায়,স্কীন শুষ্ক হলে বিভিন্ন ধরনের ত্বকে সমস্য দেখা যায়।এই জন্য শীত আসার আগে থেকে আমাদের ত্বকের যত্নের জন্য চিন্তা ভাবনা করতে হবে যে আমার ত্বকের জন্য কোন লোশন বা ক্রিম মাখলে ভালো হবে।আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এর কারন হচ্ছে আমাদের ত্বকের পর্যাপ্ত তেল এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে না।
আরো পড়ুনঃ শীতকালীন শাক সবজি উপকারিতা ও পুষ্টিগুণাগুন
আমাদের ত্বক শুষ্ক হওয়ার কারন হচ্ছে ঠান্ডা লাগা,গরম পানির দীর্ঘ ব্যবহার ও ঠান্ডা পানি ব্যবহার,আবার শীতের সময় পানি কম খাওয়া,এগুলো আমাদের ত্বক শুষ্ক হওয়ার প্রধান কারন।এই কারন সমূহ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করতে হবে।এই জন্য প্রয়োজন ত্বকের প্রতি বিশেষ যত্ন।যে কোন কিছু যত্ন করলে যত্ন হবে, না করলে হবে না।
ত্বক আমাদের শুষ্ক হয় কি কারনে
আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে থাকে অনেক কারনে,বিশেষ করে শীতের সময় বেশি শুষ্ক হয়ে থাকে।ত্বক শুষ্ক হলে আমাদের ত্বক রুক্ষ এবং ফ্যাকাশে হয়,মনে হয় খুসকির মত।ত্বক শুষ্ক হয় যেগুলো কারনে তা আমরা এখন জানবো।যেমন প্রাকৃতিকভাবে যে তেল আমাদের ত্বকে থাকে তা কমে গেলে,বাতাসের পরিমান বেশি শুষ্ক হলে,বেশি গরম অথবা বেশি শীত পড়লে,শীতের সময় আমরা এমনিতে পানি কম খায়,পানি কম পরিমানে খেলে।
আবার অনেকে বিভিন্ন ধরনের সাবান ব্যবহার করে যা কম দামি সাবান অথবা সাবানে রাসায়নিক কেমিক্যাল এর পরিমান বেশি থাকলে।আবার আমাদের বয়স বাড়ার সাথ সাথে আমাদের শরীরের তেল এর পরিমান কমে গিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। যাই হোক সমস্যা হলে এর সমাধান আছে এখন অনেক ধরনের লোশন ক্রিম পাওয়া যায়। এই ক্রিমগুলো ত্বকে দিলে ত্বক শুষ্কতা থেকে রেহায় পাবে।
লোশন আমাদের ত্বকে যেভাবে কাজ করে
লোশন আমাদের ত্বকে সারা বছর লাগে না কিন্তু শীতের সময় লাগেই কারন শীতের সময় আমাদের ত্বক বেশি শুষ্ক হয়।এই শষ্ক ত্বক বিভিন্ন ধরনের লোশন দ্বারা তৈলাক্ত কার হয়। তাহলে আমাদের জানা দরকার যে লোশন বা ক্রিম আমাদের ত্বকে কিভাবে কাজ করে। চলু তাহলে জানি।
- লোশন আমাদের ত্বকে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- লোমন লাগালে আমাদের ত্বককে নরম করে এবং মসৃন করে দেয়।
- পানি ত্বকের ভিতর ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
- লোশন ত্বককে ঠান্ডা বাতাস থেকে রক্ষা করে।
- এর মধ্যে ত্বকের সুরক্ষার জন্য ইনগ্রেডিয়েন্টস থাকে।
- তৈরাক্ত করতে ত্বককে সাহায্য করে।
লোশন কখন এবং দিনে কয়বার লাগাবেন
সাধারনত মানুষ দিনে দুই বার বা তিন বার লোশন লাগায়,কিন্তু আমাদের সময় বুঝে লাগাতে হবে।যদি আপনার ত্বক কিছু সময় পর পর শুষ্ক হয় তাহলে আপনার ত্বক বুঝে লাগাতে হবে।যদি কিছুক্ষন পর পর আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তাহলে আপনার কাছে রাখুন এবং ত্বক শুষ্ক হলে লাগাবেন কিন্তু ত্বক পরিষ্কার করে লাগাতে হবে। লোশন লাগিয়ে ধুলা বালু থেকে ত্বককে রক্ষা করতে হবে, না হলে আপনার লােশন লাগানো বৃথা যাবে।দুপুরে গোসলের পর এবং সন্ধ্যায় লাগালে ভলো।
কোন লোশন আপনার জন্য ভালাে
যে কোন লোশন যেটা আপনার ত্বকে সুট করবে সেটা আপনি দিতে পারেন।এটা খেয়াল রাখতে হবে যে লোমন দিয়ে যেন আপনার ত্বকে কোন সমস্যা না হয়।আমরা এখন কিছু লোশন এর কার্যকারিতা বিষয়ে জানবো।
ডাভ লোশন:
ডাব লোশন, স্যাম্পু,প্রায় মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়,ডাব লোশন শীতের সময় আমাদের শুষ্ক ত্বকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।ডাব লোশন এর কোন পার্শ্বপতিক্রিয়া নেই এই লোশন লাগালে ত্বক থাকে নরম কোমল,শুষ্কভাব থেকে রক্ষা করে।
নিভিয়া লোশন:
নিভিয়া হচ্ছে একটি বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি যা হচ্ছে এ্যলোভেরা দিয়ে তৈরি।এটি ত্বককে নরম করার পাশাপাশি আরামদায়ক।এটি ত্বককে রিফ্রেশ করে মোলায়েম করে,আপনার যদি ডাব লোশন ত্বকের সাথে সুট করে তবে ডাব দিবেন,না হলে নিভিয়া লোশন দিতে পারেন।
ভ্যাসলিন লোশন:
ভ্যাসলিন লোশন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে থাকে।ভ্যাসলিন অনেকে পছন্দ করে থাকে।জীবানুমুক্ত করে ত্বকে।এই লোশনে আছে ভিটামিন বি,থ্রি, যা আমাদের ত্বকের দাগ দূর করতে সহায়তা করে থাকে।
পন্ডস্ লোশন:
পন্ডস্ লোশন এর সাথে আমরা ভালাে পরিচিত পন্ডস্ অনেকের কাছে খুবই প্রিয় এটা ছাড়া অন্য লোশন ব্যবহার করে না।এই লোশনে আছে ভিটামিন ই,বি,থ্রি,এবং ভিটামিন সি এই ভিটামিন সমূহ আমাদের ত্বককে করে মোলাইম,মসৃন করে।
লোটাস লোশন:
এই লোশনটি ত্বককে আদ্রতা থেকে রক্ষা করে,ত্বক রাখে মোলাইম।এই লোটাস লোশনটি আমাদের ত্বককে করে সজীব এবং উজ্জলতা বয়ে আনে।আর ত্বকে সামান্য দাগ থাকলে তা মেটাতে সহায়তা করে।মানুষের ত্বক ভেদে এই লোশন গুলো কাজ করে থাকে।
বোরোপ্লাস লোশন:
এই লোশনটি জীবানুনাশক হিসেবে কাজ করে।এর মধ্যে আছে দুধ ও কেশর এটি একটি অ্যান্টিসেপ্টিক বডি লোশন এই লোশন আমাদের ত্বককে করে উজ্জর আর মোলাইম।
কেটাফিল ময়শ্চাইজিং লোশন:
ত্বক বিশেষজ্ঞরা এই লোশনটি ভালো হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই কারনে যা আমাদের ত্বককে করে অ্যালার্জিমুক্ত এবং সুগন্ধি বিহীন,অনেক লোশন আছে যা ব্যবহার করলে অ্যালার্জির সমস্য দেখা দেয় কিনাতু এর মধ্যে কোন সমস্য নেয়।
আরো পড়ুনঃ সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা
ত্বকের ধরন অনুযায়ী লোশন ব্যবহার
রুক্ষ ত্বকের জন্য:এই ধরনের ত্বকের জন্য ঘন এবং বৃষ্টি-বাটার টাইপ ময়েশ্চারাইজার
শুষ্ক ত্বকের জন্য:হালকা ঘন লোশন দিলে ভালো হবে।
সংবেদনশীল শুষ্ক ত্বকের জন্য:এই ধরনের ত্বকের জন্য সংবেদনশীল জাতীয় লোশন ব্যবহার করতে হবে।যা খুবই শুক্ষভাবে তৈরি করা হয়।
লোশন ও ত্বক এর ক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা
শুষ্ক ত্বক এরাতে দৈনিক গরম পানি ব্যবহার কমাতে হবে,শীতের সময় আমরা এমনিতে পানি কম পান করি কিন্তু এটা করলে চলবে না নিয়মিত পরিমান মত পানি পান করতে হবে।শুধুমাত্র ত্বক শুষ্ক হলে ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে ।আবার শুধু লোশন লাগালে অনেকে মনে করেন যে আর কিছু দরকার নেই কিন্তু শরীরের অভ্যান্তরে পানির ভারসাম্যতা ঠিক রাখতে হবে।
তা না হলে ত্বক শুধু উপ থেকে কোমল এবং নরম থাকবে কিন্তু ভিতরে ড্রাই থাকবে।এই জন্য আমাদের শরীর যেন ড্রাই না হয় এই জন্য ফলমূল খেতে হবে।আবার লোশন শুধু বেশি দামি হলে হবে না, ত্বকের যত্ন নিতে হবে।শীতের সময় ত্বকের জন্য লোশ লাগাতে হবে আবার নিজের ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
শেষ কথাঃ শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো
শুষ্ক ত্বকের জন্য কোন লোশন ভালো,কোন লোশন আপনার জন্য ভালাে তা আপনার ত্বক বলে দিবে।উপোরক্ত আলোচনায় আমরা লোশন এর বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। তবে ত্বকের যত্ন এবং লোশন দুইটি দরকার।যদি সামাথ্য তেমন না থাকে তাহলে দেশীয় ঘানি সরিষার তৈল অনেক কাজে লাগে ত্বক শুষ্কতা থেকে বাঁচাতে।পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url